> সংবাদ শিরোনাম
received_332013868939660

ছুটির দিনে উপচে পড়া ভীর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। বালাই নেই স্বাস্থ্য বিধির

ওয়াসিম ফারুক, বিশেষ প্রতিনিধিঃ ২১ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সরকারি ছুটি আর সাপ্তাহিক ছুটি মঝে রবিবার ঐচ্ছিক ছুটি নিয়ে ভ্রমন পিপাসুদের ভীড়ে মুখরিত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এছাড়া মৌসুমের শেষের দিকে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক কক্সবাজারে আসছেন। কদিনের পর্যটকের আনাগোনায় অধিকাংশ হোটেল-মোটেলের রুম প্রায় বুকিং হয়ে গেছে।

received_1258663117992059

যদি গত ২২ ডিসেম্বর এক নারী পর্যটকের সংঘবদ্ধ ধর্ষন ও করোনার উচ্চ আক্রমণে গত বেশ কিছুদিন কক্সবাজারের পর্যটকদের আনাগোনা কম থাকলে ও এখন সেই সংকট অনেকটা কাটিয়ে উঠেছে এখানকার পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

সাগড়ে তিন নাম্বার সর্তক সংকেত বলবদ থাকলে ও সমুদ্রে সাঁতার কাটাসহ প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠছে পর্যটকরা। তবে বালিয়াড়িতে, কিটকট ছাতায় বসা, বিচ বাইক ও ঘোড়ায় চড়া পর্যটকদের মানতে দেখা যায়নি কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে সৈকতে টুরিস্ট পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করতে দেখা গেছে। তবুও পরছেন না মাস্ক, মানছেন না সামাজিক দূরত্ব।

received_351503343500966

সোমবার ২১ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে সৈকতে পর্যটকের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সমুদ্রস্নান, বালিয়াড়িতে দৌড়ঝাঁপ, বিচ বাইক, ওয়াটার বাইক, ঘোড়ায় চড়ে আনন্দে মেতে উঠেছেন তারা।

ঢাকার মানিকনগর থেকে পরিবার সহ বেড়াতে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা মৌলী আহম্মেদের সাথে প্রথমে মাস্ক তথা স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে প্রশ্ন করায় কিছুটা বিব্রতবোধ করলে ও পরে বলেন ভাই করোনার ভয়ে আর কত দিন বন্দী হয়ে থাকবো। এত মানার পর ও পরিবারের সবাইকে নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছি সেই সাথে টিকার দ্বিতীয় ডোজ ও সকলের ই নেয়া হয়েছে তাই বেরা আসা। আর সৈকতে গোসলের সময় কি আর এসব মানা সম্ভব। ঠিক একই মন্তব্য সিলেট থেকে আসা লন্ডন প্রবাসী লোকমান হোসেনের। সৈকতোর বলিতে ফুল আঁকছিলেন লোকমান হোসেনের ছোট মেয়ে মাইসা বাবা মায়ের বেড়াতে এসে তার যেন আনন্দের কমতি নাই। ঢাকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিথুন মাহিন এসেছেন কয়েকজন বন্ধু মিলে। আনন্দের কমতি নেই । তবে মুখে মাস্ক ছিল না কারোই । কেন মাস্ক পরা হয়নি জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘সকাল থেকে মাস্ক পরা ছিলাম। পানির কাছে আসছি মাস্ক পরলে কি আনন্দ থাকবে?

received_1643720489294643

নোয়াখালী থেকে সপরিবারে আসা মিন্টু বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে কক্সবাজার আসলাম। আমার দুই ছেলের পরিবারও এসেছি। বলতে গেলে বাড়ির অর্ধেক মানুষ এখন কক্সবাজারে। প্রতিবছর নভেম্বর—ডিসেম্বরে আসি। এবছর একটু দেরিতে আসলাম। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য না দেখলে আমার মোটেও ভালো লাগে না। তাই পরিবার নিয়ে চলে এলাম।’

কক্সবাজারে সুগন্ধা পয়েন্ট দায়িত্বে থাকা এক টুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে জেলা প্রশাসন কর্তৃক জনসচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। যারা মাস্ক পরছে না, স্বাস্থ্যবিধি মানছে না; তাদের সচেতন করা হচ্ছে। এরপরও অনেক পর্যটক তা মানছে না। মাইকিং করার পরও যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। আইনশৃঙ্খলার ব্যাপারে তিনি বলেন এই ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সজাগ যাতে কোন ধরনের দুর্ঘটনা বা অপকর্ম না হয়। আগের যেই ঘটনাটা ছিল তার জন্য আমাদের দায়ী করাটা নেহায়োত একটা ভুল। কক্সবাজার হোটেল—মোটেল গেস্ট হাউজ
কেথাও মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্য বিধি। প্রত্যক গেস্টের টিকা সনদ বাধ্যমুলক থাকার কথা থাকলে ও কোন হোটেল মোটেই টিকা সনদ তো দুরের কথা সঠিক স্বাস্থ্য বিধিই মানছেন না।কক্সবাজার হোটেল—মোটেল গেস্ট হাউজ
সমিতির একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন , গত দুই বছর করোনার কারনে আমাদের ব্যবসা লাটে উঠেছে। এখন পর্যটন মৌসুমের শেষের দিক সাথে দীর্ঘ একটা ছুটি তাই বেশি পর্যটক কক্সবাজারে আসছে। মার্চের শেষ পর্যন্ত পর্যটকের ভিড় থাকতে পারে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ হোটেল—গেস্ট হাউজে পর্যটক ভিড় করেছে। টিকাসনদ সহ যদি এত কিছু মানতে যাই তা হলে গেস্টরা কক্সবাজার আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। তবে আমরা আমাদের প্রত্যেকটি হোটেল মোটলে কে ই বলপ দিয়েছি তারা যেন সরকারের দেয়া স্বাস্থ্য বিধি মানার চেষ্টা করেন। এবং অতিথিদের স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে হোটেল কর্তৃপক্ষ যথাযথ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বাকিটা প্রশাসন দেখবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful