বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে রাজধানীর নিম্ন আয়ের দরিদ্র ভাসমান মানুষদের মাঝে রান্নাকরা খাবার বিতরণ

সংবাদ দিগন্ত ডেক্সঃ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে কোভিড-১৯ ও চলমান লকডাইনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, অসহায় ও নিম্ন আয়ের ভাসমান মানুষদের মাঝে ইফতার সামগ্রী হিসেবে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) এটিএম আবদুল ওয়াহ্হাব নিজে উপস্থিত থেকে রাজধানীর গুলশান পার্ক ও বাড্ডা নতুনবাজার এলাকার নিম্ন আয়ের ভাসমান মানুষদের মাঝে এই রান্নাকরা খাবার বিতরণ করেন।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, প্রতিদিন রাজধানীর ভাসমান লোকজনের মাঝে ইফতারের আগ মূহূর্তে ১০০০ প্যাকেট রান্নাকরা খাবার বিতরণ করা হয়। গত ১৪ এপ্রিল প্রথম রোজার দিন থেকে এই মানবিক কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, যা এখনও চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকরা রোজার শুরু থেকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দরিদ্র ভাসমান জনগনের মাঝে এই রান্নাকরা খাবার (ইফতার হিসেবে) বিতরণ করে আসছে। চলমান লকডাউন আরও দীর্ঘস্থায়ী হলে রমজানের পরও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির।

আজ সোমবার বিকেল ৫ টায় গুলশান পার্ক ও বাড্ডা নতুন বাজার মোড়ে ১০০০ হাজার অসহায় ও নিম্ন আয়ের ভাসমান লোকজনের মাঝে ইফতার সামগ্রী হিসেবে রান্নাকরা খাবার বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) এটিএম আবদুল ওয়াহ্হাব প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খাবার বিতরণ করেন। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো: ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন, সোসাইটির যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের পরিচালক ইমাম জাফর সিকদারসহ বিভিন্ন পযায়ের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) এটিএম আবদুল ওয়াহ্হাব বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মানব কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সোসাইটি দেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক ও মানবসৃস্ট যেকোন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আগামীতেও পাশে থাকবে। তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার ও প্রত্যোককে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণেরও পরামর্শ দেন।