শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখি মানুষর ঢল, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কতৃপক্ষ

ওয়াসিম ফারুক, লৌহজং ( মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সপ্তাহ পার হলেই ঈঁদ। আর ঈঁদ উৎসব কে সামনে রেখে সরকারে দেওয়া লকডাউন উপেক্ষা করে মুন্সিগঞ্জের লৌহজেংর শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলমুখী ২১ জেলার যাত্রী ও যানবাহনের ঢল শুরু হয়েছে । ফেরিতে যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

গত ( ০৬/০৫/২০২১) বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শিমুলিয়া ঘাটে মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। এই নৌ পথে দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ যাতায়াত করছে। শুক্রবার সকালে ঘাটে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায় । শুক্রবার বেলা ১ টা নাগাদ ঘাটে যানবাহন ও মানুষের ঢল নামতে শুরু করে । শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আছে প্রায় হাজার দেড়েক যানবাহন। এদিকে স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই ফেরিত পারাপার করা হচ্ছে যাত্রী। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিমুলিয়া ফেরিঘাট সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সকাল থেকেই ঘাটে যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড় শুরু হয় । করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলে ও মানুষের মধ্যে করোনাতংক ও স্বাস্হ্যবিধির বালাই ও নেই । প্রতিটি ফেরিতে ঢাকা থেকে আসা যানবাহন ও যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড় দেখা যায়। শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদে বলেন ঈদ সামনে রেখে ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ প্রচণ্ড। যাত্রীদের কারণে ফেরিগুলোতে গাড়ি লোড করাই প্রায় অসম্ভব । ফেরি ঘাটে এলেই যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। ১৩টি ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন পার হচ্ছে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে খেতে হচ্ছে হিমশিম। মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে কোনো ভাবনা নেই। যাত্রীদের সর্তক করেও সচেতন করা যাচ্ছে না। শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার পর থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার সকাল থেকে সে চাপ বেড়ে যায় আরো কয়েক গুন । লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে ই সকল যাত্রী পারাপার হচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঘাটে সহস্রাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে ৪ থেকে ৫ শত মালবাহী ট্রাক রয়েছে। এ ছাড়া ছোট গাড়ির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মাওয়া চৌ-রাস্তা থেকে শিমুলিয়া ঘাটের সড়ক পর্যন্ত দুই কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের জট রয়েছে।