হতাশা নয়, নতুন ভাবে শুরুর আশায় সৌম্য সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা ১০ ম্যাচে জয়ের দেখা নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। দেওয়ালে যেন পিট ঠেকে  যাওয়ার অবস্থা দলের। তবে অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে আলোর খানিকটা রেখা হিসেবে দেখা যাচ্ছে সামনে সিরিজ।

নিজেদের প্রিয় সংস্করণে খেলা আপন আঙিনায়। ফিরছেন সাকিব আল হাসানও। সব মিলিয়ে বাজে সময় পেছনে ফেলে দল জয়ের ধারায় ফিরবে, বিশ্বাস সৌম্য সরকারের।

সামনেই দেশের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশের। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগে এটি সৌম্যদের তৃতীয় সিরিজ।

বছরের শুরুতে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে সুপার লিগের শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। পরে মার্চে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে পেতে হয় উল্টো স্বাদ।

কিউইদের বিপক্ষে অন্তত একটি জয় খুব করে চাইছিল বাংলাদেশ, সুপার লিগে তাহলে কিছুটা এগিয়ে থাকা যেত। সেটি হয়নি। সেই সিরিজ নিয়ে এখন আর ভাবার সুযোগ দেখেন না সৌম্য।

সতীর্থদের সঙ্গে তিনি এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজের। বুধবার অনুশীলনের পর বিসিবির ভিডিও বার্তায় বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সামনের সিরিজ নিয়ে শোনালেন আশার কথা।

“বাংলাদেশের জন্য যে কোনো ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। যেগুলো নিউজিল্যান্ডে হয়ে গেছে, ওগুলো নিয়ে চিন্তা করে কোনো লাভ নেই। সামনের দিকে চিন্তা করাটাই ভালো।”

“শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের যে ওয়ানডে সিরিজটা আছে, আগেরগুলো ভুলে সবাই নতুন করে ভালো পারফর্ম করবে। ঘরের সিরিজ আমাদের ঘরেই থেকে যাবে। আমরা আশাবাদী, সব খেলোয়াড় দেশের মাটিতে ভালো খেলবে।”

মাত্রই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলে এসেছে বাংলাদেশ। সৌম্যর বিশ্বাস, সেই সিরিজের যারা ওয়ানডেতে খেলবেন, তারা একটু বাড়তি সুবিধা পাবেন।

“যারা শ্রীলঙ্কায় টেস্ট ম্যাচ খেলেছে, অনেকটা সময় ব্যাটিং করেছে বা বোলিং করেছে, এখানে যদি সেভাবেই লাইন-লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করে বা শতভাগ দিয়ে ব্যাটিং করতে পারে, সিরিজটা খুব ভালো হবে।”

নিউ জিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফরে সাকিবকে পায়নি দল। এবার সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই অলরাউন্ডারকে পাবে দল। শ্রীলঙ্কা সফরে না থাকলেও আইপিএল বেশ ভালো বোলিং করে ছন্দে আছেন মুস্তাফিজুর রহমানও। তাদের পেয়েও বাড়তি আশার রসদ পাচ্ছেন সৌম্য।

“সাকিব ভাই খেললে সব সময় দুইটা দিকই পাওয়া যায়। এটা অবশ্যই দলের জন্য অনেক বড় একটা ব্যাপার। আর মুস্তাফিজকে আমরা দেখছিলাম, আইপিএলে অনেক ভালো বল করছে। অবশ্যই দলের জন্য এটা খুব ভালো হবে যে, তারা দুজন একসঙ্গে ফিরছে। আশা করব যে, তারা দুইজন অনেক ভালোভাবেই সিরিজটা শেষ করবে।”

আগামী ২৩ মে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে প্রথম ওয়ানডে। বাকি দুটি ম্যাচেও হবে একই স্টেডিয়ামে।