পিরোজপুরে আসামী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত : গ্রেপ্তার-৮

হযরত আলী হিরুঃ পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমারখালী এলাকায় গভীর রাতে আসামী গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় সদর থানার ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমারখালীর সিকদার বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ এ ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলো সদর থানার এস আই সৈকত হোসেন সানি, এস আই মাহামুদুল হাসান, এস আই মো: খাইরুল হোসেন, এ এস আই সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য মো মারুফ হাওলাদার।

এছাড়া আহত আসামীরা হলো কুমারখালী এলাকার আনোয়ার সিকদারের পুত্র হাসান সিকদার, শেখপাড়া এলাকার মিঠু দাসের পুত্র শাওন দাস।

থানা সূত্রে জানাযায়, রবিবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে পিরোজপুর সদর থানার পুলিশের সদস্যরা আসামী গ্রেপ্তার করতে কুমারখালী এলাকায় যায়। সেখান থেকে আসামী হাসান সিকদার কে গ্রেপ্তার করে সদর থানায় নিয়ে আসার সময় আসামী পক্ষের লোক জন আসামী কে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশের উপর হামলা চালায়। এ সময় হামলায় পুলিশের ৩ জন এসআই ১ জন এএসআই ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয় এবং আসামীদের ২ জন আহত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারেক আজিজুল্লাহ জানান, রাত ২ টার পরে আহত ৫ পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় এবং তাদের মধ্যে ২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এছাড়া ২ জন আসামীকেও আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়।

পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান জানান, আসামী গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামী পক্ষের লোকজনের হামলায় ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে।এদের মধ্যে দুই জন হাসপাতালে ভর্তি আছে।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি মুহা. নুরুল ইসলাম বাদল জানান, এ ঘটনায় পিরোজপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক। মাহামুদুল হাসান বাদী হয়ে ১৬ নামীয় ও ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাত নামাদের আসামী করে এক মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ এ ঘটনায় হাসান সিকদার, সৌরভ খান, জুয়েল, শুভ সিকদার, সোহেল সিকদার, রেজাউল শেখ, ওসমান সিকদারসহ ৮ জনকে আটক করেছে বলে জানান ওসি।