৩৬৮ কয়েদিকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে : আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদুল আজহা উপলক্ষে  জঙ্গি হামলার আশঙ্কাকে সামনে রেখে পুলিশ, র‌্যাবসহ নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ৩৬৮ কয়েদিকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিদের উত্থানের একটা চেষ্টা ছিল, দেশের অনেক জায়গায় জঙ্গির আবির্ভাব হয়েছিল। দেশকে সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য বানানো, অকার্যকর বানানোর একটা চেষ্টা ছিল। সেখানে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। জঙ্গিদের আমরা কন্ট্রোলে এনেছি, কিন্তু একদম সমূলে উৎপাটন করতে পারিনি। ছোট ছোট স্লিপিং সেল এখনো বিভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। সেগুলোর কার্যকারিতা তেমন কিছু নেই। মাঝে মাঝে তাদের উপস্থিতি বোঝাবার জন্য কিছু ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে। সেগুলো পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব যথার্থভাবেই দমন করছে।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ঈদুল আজহা নিয়ে আমরা বসেছিলাম। সেখানে কী হতে পারে, সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছি। কূটনৈতিক এলাকা ও ধর্মীয় উৎসবস্থলসহ সব জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে ও সতর্ক রয়েছে। যারা ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা অনেক সময় দুঃস্বপ্ন দেখে। সেগুলোর কিছু অংশ গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে কিছু ইঙ্গিত পাই। এগুলো সিরিয়াস কিছু নয়।

হাসপাতালে অভিযান বন্ধ কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, মোটেও বন্ধ হয়নি। যারাই এটা (করোনার ভুয়া সনদ) করবে আমরা তাদের ধরব, এটা হলো মূল কথা। এটা চলবে। ডিরেকশন ছিল তথ্যভিত্তিক হতে হবে। কাউকে যেন হয়রানি করা না হয়। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে।

মুক্তি পাচ্ছেন ৩৬৮ কয়েদি

অপর এক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত যারা রয়েছেন জেল কোড অনুযায়ী সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে, ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে এমন ১ হাজার ৬০০-এর বেশি কয়েদির একটা তালিকা জেল কর্তৃপক্ষ দিয়েছিল। ৫-৭ বছরের মধ্যে আমরা কাউকে ছাড়িনি। এতদিনে পুঞ্জীভূত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে- ধর্ষক ও নৃশংস খুনি যাতে না ছাড়া হয়। আমরা সেই নির্দেশনা মাথায় রেখে ফিল্টার করে এখন ৩৬৮-তে নিয়ে এসেছি। এদের মুক্তির প্রক্রিয়া চলেছে।