১২দিনেও আসামি ধরাতে ব্যর্থ পুলিশ

নাজমুস সালেহীনঃ পিরোজপুরের চুঙ্গাপাশার আলোঢিত সন্ত্রাসী হামলার ১২ দিন পরেও চিন্থিত এজাহারভূক্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

চুঙ্গাপাশা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক হাওলাদার (৩০) কে প্রকাশ্যে দিবালোকে তার নিজ বাড়িতে একই এলাকার মোঃ সবুজ (৩০) এবং তার নিকটবর্তী স্থাণীয় বখাটে যুবকেরা গত ২৫ আগষ্ট আনুমানিক সকাল ১০:১৫ মিনিটে দেশীয় চাপাতি, জিআই পাইপ, সুরকী দিয়ে এলো পাথারি কুপিয়ে জখম করে। বখাটেদের বাধা দিতে আসলে তারেকের মা জাহানারা বেগম (৫০) কেও জিআই পাইপ দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় লোকেরা আহতদের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে আসলে সবুজ এবং তার দলের লোকেরা দৌড়ে পালিয়ে যায় বলে দাবী করেন আহতের স্বজনেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর সদর থানায় মোঃ সবুজসহ ৬জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়, মামলা নং-২০৫। কোর্টে ৪,৫, ও ৬ নং আসামী হাজির হয়ে জামিনে ফিরে আসে। ০৩নং আসামী লিটন (২৪) জেল হাজতে আছে। সবুজসহ জামিনে মুক্ত আসামীরা এলাকায় এসে আহত তারেক এবং তারেকের পরিবারকে রীতিমতো হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। উক্ত মামলার আইও এসআই রবি জানান চুঙ্গাপাশা গ্রামের ০২ কিঃ মিঃ রাস্তা সরু এবং ভাঙ্গা থাকায় আসামীদের উপস্থিতির তথ্য থাকা স্বত্বেও ধরা সম্ভব হচ্ছে না। আহতদের স্বজনদের দাবী উক্ত মামলার জামিনে থাকা আসামী হারুন (৬০) এবং আলতাফ (৫৫) পুলিশ আসার তথ্য অন‍্য আসামীদের জানিয়ে দেয়। যার ফলে পুলিশ আসার আগেই আসামীরা পালিয়ে যায়। উক্ত মামলার ব্যাপারে পিরোজপুর সদর থানার সৎ এবং বিচক্ষন অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বাদল বলেন আসামীরা যদি থানা অধীন এরিয়ায় থাকে তাহলে তাদেরকে অতি শীগ্রই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মুল আসামীরা প্রকাশ‍্যে ঘুরে বেড়ানোর কারনে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।