হাতিবান্ধার ডাউয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বয়স্ক বিধবা ভাতা নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

এস.আর শরিফুল ইসলাম রতনঃ

জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কায়েদের বিরুদ্ধে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা নিয়ম বর্হিভূতভাবে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতায় যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তাদের বেশির ভাগ নীতিমালা বর্হিভূত। উক্ত তালিকায় ৯৮.৯৯.১০৪.১০৯ ও ১১০ নং সহ ৩৩ জন মহিলাগণ এই ভাতার নীতিমালার আওতায় আসার কোন প্রশ্নই আসে না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ইউনিয়নের অন্যান্য মহিলাগণের পারিবারিক সচ্ছলতা কেমন তা সরেজমিনে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করলে অভিযোগের সত্যতা মিলবে বলে জানান অভিযোগকারীরা। স্থানীয় চেয়ারম্যান তার পছন্দের লোকজন দিয়ে নিয়ম-নীতির কোন তোয়াক্কা না করে উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে ম্যানেজ করে ওই অপকর্ম করেছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। নীতিমালায় আছে যার স্বামী মারা গেছে সে বিধবা এবং যার স্বামী নেই তিনি স্বামী পরিত্যাক্তা। অথচ, স্বামী জীবিত এবং স্বামীর সাথে এক সাথে বসবাস করছেন তাদেরকে এই আওতায় তালিকা করা হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে ১ম কিস্তির টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন বলে একই অভিযোগে জানা গেছে।

বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন সরকারের গৃহীত জনকল্যাণমূলক কর্মসূচীতে গ্রামের তৃণমূল পর্যায়ের লোকজন সুবিধা পাক এবং তারা সচ্ছল হোক। অথচ, ওই নির্দেশকে উপেক্ষা করে ডাউয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের সরলতার সুযোগ নিয়ে সরকারের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বিতর্কিত মানুষের মধ্যে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা প্রদান করা হয়েছে। চেয়ারম্যান কায়েদের ওই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্থানীয় জনগণ একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ ব্যাপারে ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কায়েদের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি যদি অপরাধ করে থাকি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আপনাদের নিউজ করার ইচ্ছা আছে আপনারা নিউজ করেন আমার কোন আপত্তি নাই।

হাতিবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে, তিনি বলেন, আমার কাছে চেয়ারম্যান কায়েদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। আমি তা তদন্ত করে দেখছি, তদন্তে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

পরবর্তীতে  আরো তথ্য প্রকাশ করা হবে………….