শাক সবজির বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি নেই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বন্যার ধাক্কায় চরা দাম বিক্রি হওয়া  শাক-সবজিতে স্বস্তি ফেরেনি এখনো,  উল্টো নতুন করে পেঁয়াজ, আলু ও শাক-সবজির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর মিরপুর ও কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন খুচরা দোকান ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে, পটল, বেগুন ও কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজ ও আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা করে। খুচরায় প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ৪০ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

কারওয়ানবাজারে দেশীয় ভালো জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮২ টাকা থেকে ৮৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ৭৫ টাকায় নেমেছিল। এই সপ্তাহে নতুন করে বাজারে আসা বড় আকারের পাকিস্তানি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের চেয়ে এর মান খারাপ হলেও হোটেল-রেঁস্তোরায় এগুলোর চাহিদা রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে , এই সপ্তাহে ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকায় আলু বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

কারওয়ানবাজারের বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজ-রসুনের তুলনায় আদার দাম অনেক বেশি। প্রতি কেজি চীনা আদা বিক্রি হচ্ছে আড়াইশ টাকায়। আর দেশি নতুন আদার দাম চাওয়া হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮২ টাকা থেকে ৮৫ টাকায়।

গত মাসের শেষ দিকে এসে বাজারে আকস্মিকভাবে খাবার তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে বর্ধিত ওই দামেই থিতু হয়ে আছে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম। এর সঙ্গে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম।

চাল, ডাল, মুরগির মাংসসহ আরও কিছু নিত্যপণ্যের দাম গত সপ্তাহের মতো রয়েছে বলে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।