ভোলায় মালিকানাধীন লঞ্চের দাপটে কোনঠাসা বিআইডব্লিউটিসির লঞ্চ

শামীম আহাম্মেদঃ  সুষ্ঠু ও নিরাপদ যাত্রী পরিবহনের নিমিত্তে ভোলায় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া  খিজির-৮ এর অনুকূলে জারীকৃত সময়সূচী অনুযায়ী এস,টি খিজির-৫ যাত্রী পরিবহন করবে।

শর্ত থাকে যে, খিজির-৮ এর নির্ধারিত সময়ের
পূর্বে অর্থাৎ সকাল ০৮:৪০ ঘটিকায় ইলিশা ঘাট
থেকে ছেড়ে যাবে এবং খিজির-৮ রুটে যাত্রী
পরিবহন শুরু করলে এই আদেশ তাৎক্ষণিক ভাবে বাতিল বলে গন্য হবে। কিন্তু সরকারি আদেশ অনুযায়ী এস,টি খিজির-৫ সকাল ০৮:৪০ এ ইলিশা ঘাট থেকে মজুচৌদির ঘাটের উদ্যেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও – এমভি পারিজাত লঞ্চের ক্ষমতার দাপটে, খিজির -৫ নির্ধারিত সময় ছেড়ে যাওয়ার অদেশ থাকতেও তা পারছে না। এস,টি খিজির – ৫ এর ম্যানেজার

মোঃলিটন হোসেন জানান, নৌমন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিআইডব্লিউটিএরনির্দেশে আমরা শাস্থবিধি মেনে চলাচলের আদেশ অনুযায়ী বর্তমানে আমরা যাত্রীদের সার্ভিস দিয়ে আসছিলাম,কিন্তু হঠাৎ আজ ২৩/০৬/২০ইং তারিখ বিআইডব্লিউটির ভোলার ট্রাফিক কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম আমার ফোনে কল দিয়ে নির্দেশ দেন আপনারা আপনাদের জাহাজটি নির্ধারিত সময় সকাল ০৮:৪০ এর পরিবর্তে সকাল ১১:৩০ ছেড়ে যাবেন।
তাই আমরা তার আদেশ অনুযায়ী ১১:৩০ এ ঘাট থেকে ছেড়ে যাই, তবে বর্তমানে শাস্থবিধির কথা চিন্তা করে এই কাজটি করা মটেও ঠিক হলোনা কারন, ভোলার জনগন যারা এই রুটে চলচল করে তারা সবাই জানে যে সকাল ০৮:৪০ মিনিটে জাহাজটি ছেড়ে যাওয়ার কথা, তাই যাত্রীরা নির্ধারিত সময় ঘাটে উপস্থিত হলেও জাহাজটি ছাড়তে না দেওয়ায় বর্ষার মধ্যে টার্মিনালে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হন অনেক যাত্রী।

অপর দিকে দেখা যায় সময়মতো জাহাজটি না ছাড়ায় বর্তমানে করোনা ভাইরাস এই মহামারীর মধ্যে যাত্রীরা টার্মিনালে হুমড়ি খেয়ে পড়ে।
অন্যদিকে পারিজাত লঞ্চটি স্বাস্থ্য বিধি না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ইলিশা ঘাট থেকে মজু চৌধুরীর ঘাট এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় , এতে স্বাস্থ্যবিধি লংঘন এর পাশাপাশি সরকার বিশাল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে।

কয়েক জন ভুক্তভোগী যাত্রী বলেন স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে সরকারের প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন লঞ্চ ও মালিকানাধীন লঞ্চ গুলো নৌমন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশ অনুযায়ী নিয়মিত নির্ধারিত সময় চলাচল করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।