ভোলায় জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

ভোলা প্রতিনিধিঃ  মেঘনার পানি বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হচ্ছে দ্বীপ জেলার  সদর উপজেলা, তজুমদ্দিন,চরফ্যাশন ও মনপুরা সহ নিম্নাঞ্চল গুলো ৩/৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে মেঘনার পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর প্রবাহিত হচ্ছে দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চর ও চরনিজামে ৪/৫ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পাউবো। সকাল থেকে ভোলার উপকূল জুড়ে থেমে থেমে বাতাস ও ঝড়ো বৃষ্টি বইছে। ভোলা সদরের ধনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন কবির জানান, তার ইউনিয়নের কোড়ার হাট এলাকা দিয়ে পাউবো’র বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। তিনি লোকজন নিয়ে বাধের উপর মাটিভর্তি বস্তা দিয়ে পানি প্রবেশ রোধের চেষ্টা করছেন।

মনপুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিসেস শেলিনা চৌধুরী জানান, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের দাসেরহাট, সোনারচর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও হাজিরহাটের উপজেলা রক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহিত সহ লঞ্চঘাট এলাকা প্লাবিত হয়। এছাড়াও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আলমনগর এলাকা প্লাবিত হয়। মনপুরা ইউনিয়নের নতুন বেড়ীবাঁধের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মনপুরা উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারি প্রকৌশলী আবদুর রহমান জানান, মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলসহ মূল ভূ-খন্ডের অনেকস্থানে ৩/৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চরফ্যাশনের কুকরি মুকরি ইউপি চেয়ারম্যান হাসেম মহাজন জানান জোয়ারের পানিতে তার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে কমপক্ষে চার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।