বাতিল হচ্ছে পিইসি, ইবতেদায়ী, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে।কবে খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তা এখনো অনিশ্চিত।বন্ধ হয়ে রয়েছে সকল শিক্ষা কার্যক্রম।আর এই সংকট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলো।আর এসব পরীক্ষা কবে নিতে পারবে তার কোন সীদ্ধান্তও এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সেই হিসেবে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাতিল করা হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। গত সপ্তাহে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানা গেছে, সমাপনী পরীক্ষা না হলেও এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবৃত্তি দেয়ার চিন্তা করছে সরকার। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে।

ডিসেম্বরের মধ্যে সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে ‘অটো-পাস’ দিয়ে তুলে দেয়া হবে। এই উভয় ক্ষেত্রেই পাঠ্যবই বা সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার অত্যাবশ্যকীয় পাঠ হিসেবে পরবর্তী শ্রেণিতে দেয়া হবে। এজন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘কারিকুলাম ম্যাপিং’ করে দেবে। এ লক্ষ্যেই আগামীকাল বুধবার এনসিটিবিতে কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের বৈঠক শুরু হবে বলে জানা যায়।