দেশের দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের জ্যেষ্ঠ দুই আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মুরাদ রেজা ও মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির পদত্যাগ করেছেন।

মমতাজ উদ্দিন ফকির রোববার সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সলিসিটর অফিসে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। আর মুরাদ রেজা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “দুজন পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। শিগগিরই এসব পদে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।”

মুরাদ রেজা ২০০৯ সালের ২৭ মার্চ থেকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। আর মোমতাজ উদ্দিন ওই পদে নিয়োগ পান ২০১০ সালের ৪ জুলাই।

মমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। এর বাইরে কিছু নয়।”

পদত্যাগের কারণ জানতে মুরাদ রেজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

২০০৯ সাল থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করে আসা মাহবুবে আলম ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এরপর গত ৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এএম আমিন উদ্দিনকে দেশের ষেড়শ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

আমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এখন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল থাকলেন কেবল এম এম মুনীর। এছাড়া ৬৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৫৫ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিলিয়ে মোট ২২৪ জন আইন কর্মকর্তা রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে।

মমতাজ উদ্দিন ফকির রোববার সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সলিসিটর অফিসে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। আর মুরাদ রেজা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “দুজন পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। শিগগিরই এসব পদে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।”

মুরাদ রেজা ২০০৯ সালের ২৭ মার্চ থেকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। আর মোমতাজ উদ্দিন ওই পদে নিয়োগ পান ২০১০ সালের ৪ জুলাই।

মমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। এর বাইরে কিছু নয়।”

পদত্যাগের কারণ জানতে মুরাদ রেজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

২০০৯ সাল থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করে আসা মাহবুবে আলম ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এরপর গত ৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এএম আমিন উদ্দিনকে দেশের ষেড়শ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

আমিন উদ্দিনের নেতৃত্বে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এখন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল থাকলেন কেবল এম এম মুনীর। এছাড়া ৬৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৫৫ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিলিয়ে মোট ২২৪ জন আইন কর্মকর্তা রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে।