জনসাধারণকে কঠোর ভাবে লকডাউন মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহামারী করোনা ভাইরাসের উচ্চ ঝুঁকি বিবেচনায় সরকার ঘোষিত কিছু জেলা ও সিটি করপোরেশনের সুনির্দিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন। তাই এসকল এলাকার জনসাধারণকে কঠোর ভাবে সরকারি নির্দেশনা মেনে ও ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২২ জুন) তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনার এই দুর্যোগে বাংলাদেশে সফররত চীনা বিশেষজ্ঞ টিম সরকারের নানান সীমাবদ্ধতা সত্বেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বপালনের প্রশংসা করেছেন।

তাঁরা নমুনা পরীক্ষা কম হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করার পাশাপাশি জণগনের সচেতনতার অভাবের কথাও বলেছেন, তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি সকলকে মনে করিয়ে দিয়ে বলেন এক সেকেন্ডের অবহেলা, হাত ধোয়ার ২০ সেকেন্ডের অলসতা-ভয়ানক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সরকার জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে আইসিইউসহ জরুরী সেবা সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্হাপনে উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন সরকারের পাশাপাশি এ সংকটকালে বেসরকারি উদ্যোগও যোগ করতে পারে নতুন মাত্রা।

ওবায়দুল কাদের বলেন নোয়াখালীতে স্থাপিত কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, স্হাপন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ সিস্টেম।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার নানা সীমাবদ্ধতা সত্বেও টেস্টিং কেপাসিটি এবং চিকিৎসা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

ইতিমধ্যে ৬০ এর অধিক কেন্দ্রে টেস্ট করা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও বাড়ানো হবে।
এরই মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম সুরক্ষা সামগ্রীসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি আরোও বলেন, করোনার লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন না করে নিকটস্থ কেন্দ্রে পরীক্ষা করান।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নোয়াখালীতে স্থাপিত কোভিড হাসপাতালের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্বাবধায়ক মোঃ আবদুল হামিদের কাছে দুটি আইসিইউ -ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন।